বৃষ্টির দিনে ঘরে বসেই সেরে নিন শরীরচর্চার কাজটি

বৃষ্টির দিনে ঘরে বসেই সেরে নিন শরীরচর্চার কাজটি

বৃষ্টি আমাদেরকে গরম থেকে খানিকটা স্বস্তি দিলেও রাস্তায় জমে থাকে পানি আর কাদা। আর এমন পরিবেশ বাইরে গিয়ে ব্যায়াম করা যেন একেবারেই অনুপযোগী। আবার ব্যায়ামাগারে গিয়ে ব্যায়ামের সুযোগও নেই সবার। তাই ঘরেই চলুক স্বাস্থ্যরক্ষার আয়োজন।

ব্যায়ামের জন্য বেছে নিতে পারেন বারান্দা, করিডর বা ছাউনি দেওয়া ছাদ। হাঁটাহাঁটি, দৌড়ানো, দড়িলাফ, বুক ডন—সবই তো ঘরে বসেই সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখা প্রয়োজন এভাবে নানা ধরনের ব্যায়ামে কতটা ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব। কেবল বাড়িতে বসে ব্যায়াম করে পর্যাপ্ত ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব না হলে খাদ্যাভ্যাসেও আনতে হবে কিছুটা পরিবর্তন।

হাঁটাহাঁটি বা দৌড়ানোর সময় কতটা ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব, সেটি নির্ভর করে তিনটি বিষয়ের ওপর।

১ কতটা দূরত্ব পেরোচ্ছেন,

২ আপনার শরীরের ওজন কত এবং

৩ আপনি কেমন গতিতে হাঁটছেন বা দৌড়াচ্ছেন।

এসব বিষয় খেয়াল রাখলে আপনি কতটা ক্যালরি পোড়াচ্ছেন, তা সহজেই অনুমান করা সম্ভব। গড়ে ২০ বার পা ফেলে চলাচল করলে এক ক্যালরি শক্তি পোড়ানো সম্ভব। তবে যাঁদের ওজন বেশি, তাঁদের  ক্যালরি পোড়ানোর মাত্রাটাও বেশি। যত বেশি দূরত্ব পেরোনো যাবে, ক্যালরিও পুড়বে তত বেশি। আবার দ্রুতগতিতে হাঁটলে বেশি ক্যালরি পোড়ানো সম্ভব, আবার ধীরে ধীরে হাঁটলে কম ক্যালরি পুড়বে। এভাবে হিসাব করে আপনি সারা দিনে কতটা ক্যালরি খরচ করছেন, তা অনুমান করতে পারবেন নিজেই। বাড়িতে ট্রেডমিল ও স্থির সাইকেলসহ অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের সাহায্যেও ব্যায়াম করতে পারেন। কোনো কোনো ট্রেডমিলে পাওয়া যায় ক্যালরি খরচের তথ্যও।

এমনটা কিন্ত কখনই নয় যে প্রতিদিনই আপনাকে খুব ভারী ব্যায়াম করতে হবে।শরীরচর্চার ক্ষেত্রে নিয়মিত থাকাটা জরুরি। ব্যায়াম কখনই ছেড়ে দেওয়া যাবে না। আর ক্যালরি খরচের হিসাব রাখলে মনেও  আসবে তৃপ্তি। অযথা পরিশ্রম হচ্ছে, এমনটা ভেবে হতাশও লাগবে না। আর তখন শরীরচর্চায় নিয়মিত সময় দিতে আগ্রহও পাবেন।