পণ্যমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য: মূল্যস্ফীতির কারণে দৈনন্দিন খরচ যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, নতুন বা উন্নত স্কেলের ফলে সরকারি কর্মচারীরা আর্থিক কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
মানসম্মত জীবনযাপন: এটি কর্মচারীদের আবাসন, সন্তানের শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবার ব্যয় নির্বাহ সহজতর করে।
কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি: কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত স্কেল পেলে কর্মীদের কাজের অনুপ্রেরণা বহুলাংশে বেড়ে যায়, যা দাপ্তরিক কাজের গতি বৃদ্ধি করে।
দুর্নীতি হ্রাসের সম্ভাবনা: যৌক্তিক ও পর্যাপ্ত বেতন কাঠামো থাকলে অসদুপায় বা অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের প্রবণতা কমে আসে।
নতুন প্রজন্মের আগ্রহ: বেসরকারি খাতের সাথে তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক স্কেল দেওয়া হলে দেশের সেরা মেধাবীরা সরকারি চাকুরিতে যোগদানে আরও বেশি আগ্রহী হবে।
ক্রয়ক্ষমতা ও ভোগ বৃদ্ধি: সরকারি কর্মচারীদের আয় বাড়লে বাজারে তাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, যা পণ্য ও সেবা খাতের চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।