অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ এবং সীমান্তে নজরদারি জোরদার করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) তাদের বহুল আলোচিত .প্যাক্ট অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড অ্যাসাইলাম’ পুরো জোটজুড়ে কার্যকর করেছে। এর মাধ্যমে ইউরোপের সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়া, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ফেরত পাঠানোর নীতিতে এসেছে বড় ধরনের পরিব
🔍 নতুন নীতিমালার মূল পরিবর্তনসমূহ
সীমান্তে বাধ্যতামূলক স্ক্রিনিং: ইইউ সীমান্তগুলোতে প্রবেশ করা যেকোনো অনিয়মিত অভিবাসীকে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সর্বাধিক ৭ দিনের বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
দ্রুততম আবেদন বাতিল ও প্রত্যাবাসন: যেসব দেশের নাগরিকদের আশ্রয়ের আবেদন গ্রহণের হার ২০ শতাংশের কম, তাদের আবেদন সরাসরি 'ফাস্ট-ট্র্যাক' বা সীমান্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আবেদন নাকচ হলে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ জারি হবে।
সদস্য দেশগুলোর দায়িত্ব বণ্টন: নতুন আইন অনুযায়ী জোটের সব দেশকেই অভিবাসনের চাপ সামলাতে বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে। হয় নির্দিষ্ট সংখ্যক শরণার্থী গ্রহণ করতে হবে, অথবা সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট হারে আর্থিক সাহায্য প্রদান করতে হবে।
ডিটেনশন বা সীমান্ত কেন্দ্রে অবস্থান: আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আবেদনকারীদের সীমান্ত সংলগ্ন নির্দিষ্ট অভ্যর্থনা কেন্দ্র বা ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।